ফেব্রুয়ারী ২nd, ২০১৭ by অমিত মিত্র

আমাদের স্কুলে ক্লাস ফাইভ থেকে ১০ সরস্বতী পুজোর হেড ছিল শেখ বাদশা নামে এক ক্লাসমেট। মণ্ডপসজ্জা থেকে পুজোর বাজার সব কিছুতেই দায়িত্ব নিত। পুজোর পরের দিন মোচ্ছবের বিতরণে মুসলিম ছেলেরাও অংশ নিত। তারাও প্রসাদ খেত।
তো এটা ছিল আমাদের এলাকার ছবি। তখনও বিষ মেশেনি। ছোটখাটো মতপার্থক্য, সাম্প্রদায়িকতা থাকলেও যোগাযোগ ছিল.. আদানপ্রদান ছিল।
বামপন্থী নামের একদল কৃমিকীট, নর্দমার সন্তান প্রথম বিষ ঢোকালো… সেকুলারিজমের দোহাই দিয়ে বললো, সরকারি প্রতিষ্ঠানে কেন হিন্দুর ধর্মীয় অনুষ্ঠান হবে? বন্ধ হোক পুজো পাঠ।
মুসলিমদের মধ্যে যারা মৌলবাদী তারা বামপন্থীদের এই মতামত লুফে নিল… সাহস বাড়লো তাদের। তারাও বলতে শুরু করলো।
পুজোর আগের রাতের কথা, হিন্দু ছেলেরা মাল খেয়ে টাল। মন্ডপ বানাবে কে? পুজোর আয়োজনই বা করবে কে? আমি আর দুই বন্ধু গিয়ে পাশের মুসলিম পাড়ার স্টুডেন্ট দের ঘুম থেকে তুলে নিয়ে এলাম। ওরা ১৫-১৬ জন এসে সব কাজ করলো। এরকম পরিবেশ ছিল আমাদের। আমরাও মহরমে মাতোয়ারা হতাম। ওরা পুজোতে। সরাসরি ধর্মাচরণ না করলেও আনন্দ করা যায়। বাংলায় অতীতে দাঙ্গা হয়েছে এটা একটা বাস্তব…. আবার প্রত্যন্ত গ্রাম এলাকায় পারস্পরিক সৌহার্দ্য ছিল এটাও বাস্তব।
বামপন্থী নামের নোংরা নর্দমার ফসলদের এটা সহ্য হয়নি। মুসলিমদের মধ্যে মৌলবাদী এলিমেন্টকে দিনের পর দিন সাহস দিয়ে গেছে… তাদের মুখে ভাষা জুগিয়েছে.. মুসলিমদের মধ্যে মৌলবাদী ছিল কিন্তু তারা মুসলিম সমাজের নিয়ন্ত্রক ছিলনা… বামপন্থী জাইরোরা তাদের নিয়ন্ত্রক বানিয়েছে…. এভাবে বাংলার মেরুকরণ করে সাম্প্রদায়িক নোংরা বামপন্থী নামের পশুগুলি বাংলার সর্বনাশ করেছে।
হ্যাঁ আমার ঘৃনার টপ টেনে বামপন্থা প্রথমে আসে।

Posted in Uncategorised Tagged with: , , ,

%d bloggers like this: