আজ ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৭ – যা কিনা ভারতের ৬৮ তম প্রজাতন্ত্র দিবস।।

এই প্রজাতান্ত্রিক দিবসে প্রধান অতিথি আরব আমিরশাহির যুবরাজ শেখ মহম্মদ বিন জাভেদ আল নহিয়ান। তাঁর এই ভারত সফরেই দু’দেশ স্ট্র্যাটেজিক অয়েল রিজার্ভ নিয়ে চুক্তিবদ্ধ হল।

 

ভারতের বর্তমান আপৎকালীন তেল ভাণ্ডারের যা আকার, তাতে সেই ভাণ্ডার পুরোপুরি পূর্ণ থাকলে ১০ দিন থেকে দু’সপ্তাহ পর্যন্ত গোটা দেশের চাহিদা মেটানো সম্ভব। কিন্তু ভাণ্ডার পুরোপুরি পূর্ণ নয় এখনও। যতটা বাকি, ততটাই পূরণ করে দেবে আরব আমিরশাহি। বুধবার এমনই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে দু’দেশের মধ্যে। ২০২০ সালের মধ্যে ভারত তার আপৎকালীন তেল ভাণ্ডারকে বর্তমান আকারের সাড়ে তিন গুণে নিয়ে যেতে চায় বলে খবর। আমেরিকার স্ট্র্যাটেজিক অয়েল রিজার্ভের আকার পৃথিবীতে সবচেয়ে বড়। এই মুহূর্তে তার যা আকার, তাতে গোটা আমেরিকার দু’মাসের জ্বালানি তেলের চাহিদা সেই ভাণ্ডার মেটাতে পারে। চিনের স্ট্র্যাটেজিক অয়েল রিজার্ভের আকারও যথেষ্ট বড়। কিন্তু সঠিক হিসেব চিন প্রকাশ করে না। বেজিং শুধু জানিয়েছে, ২০২০ সালের মধ্যে নিজেদের স্ট্র্যাটেজিক অয়েল রিজার্ভে এতটাই অশোধিত তেল চিন জমিয়ে ফেলতে চায়, যাতে তেল আমদানি না করেই অন্তত তিন মাস গোটা চিনের চাহিদা পূরণ করা যায়।

ভারতের স্ট্র্যাটেজিক অয়েল রিজার্ভে কম-বেশি ৩ কোটি ৭০ লক্ষ ব্যারেল অশোধিত তেল মজুত রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমের তেল ভাণ্ডারে ৭৫ লক্ষ ব্যারেলেরও বেশি তেল রয়েছে। কর্নাটকের উদুপিতে রয়েছে আর একটি ভাণ্ডার। সেখানে মজুত রাখা হয়েছে ১ কোটি ৮০ লক্ষ ব্যারেলেরও বেশি তেল। কর্নাটকেরই ম্যাঙ্গালোরে তৃতীয় অয়েল রিজার্ভটি গড়ে তোলা হয়েছে। সেটিতে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ব্যারেল অশোধিত তেল মজুত রাখায় যায়। কিন্তু রয়েছে ৬০ লক্ষ ব্যারেলের মতো। বাকি অর্ধেকটা পূরণ করার জন্য আরও প্রায় ৬০ লক্ষ ব্যারেল তেল প্রয়োজন। আরব আমিরশাহি সেই ভারতকে সরবরাহ করতে চলেছে

জানুয়ারী ২৬th, ২০১৭ by